Homeসুস্থ থাকুনCancer Screening: ৩০-এর পর ক্যানসার ঠেকাতে করুন এই ৩ পরীক্ষা

Cancer Screening: ৩০-এর পর ক্যানসার ঠেকাতে করুন এই ৩ পরীক্ষা

Cancer Screening After 30:শরীরে কোনও অসুখের লক্ষণ নেই, তাই নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ মনে করছেন? চিকিৎসকদের মতে, এই নিশ্চিন্ত ভাবনাই কখনও কখনও বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ, ক্যানসারের বেশ কিছু ধরন প্রাথমিক পর্যায়ে কোনও স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই শরীরে বেড়ে উঠতে পারে। লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রেই রোগ অনেকটা এগিয়ে যায়। তাই অসুস্থ হওয়ার অপেক্ষা না করে নির্দিষ্ট বয়সের পর নিয়মিত স্ক্রিনিং (Cancer Screening) করানো গুরুত্বপূর্ণ বলে মত চিকিৎসকদের।

Cancer Screening

আরও পড়ুন: হার্টের হিসেবেও কেন আলাদা পুরুষ-মহিলা?

ক্যানসার চিকিৎসক অন্বিত ভট্টাচার্যের পরামর্শ, ৩০ বছর বয়স পার করার পর কয়েকটি নির্দিষ্ট স্ক্রিনিং (Cancer Screening) পরীক্ষা সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। তাঁর মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে কোনও অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করার সুযোগ বাড়ে। এই পরীক্ষাগুলির কয়েকটি সরকারি হাসপাতালেও বিনামূল্যে করা যায়।

Cancer Screening

মুখের ক্যানসার স্ক্রিনিং:

এই পরীক্ষায় চিকিৎসক সরাসরি মুখের ভিতরের অংশ পরীক্ষা করে দেখেন। মুখের ভিতরে দীর্ঘদিনের কোনও ঘা, অস্বাভাবিক লাল বা সাদা দাগ, ফোলাভাব কিংবা কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে কোনও সন্দেহজনক পরিবর্তন ধরা পড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী পরীক্ষা করা যেতে পারে।

Cancer Screening

স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং:

মহিলাদের ক্ষেত্রে স্তনে কোনও অস্বাভাবিক গাঁট, আকার বা গঠনের পরিবর্তন কিংবা ত্বকে দৃশ্যমান কোনও অস্বাভাবিকতা রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। নিজের শরীরের পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকাও জরুরি। কোনও অস্বাভাবিকতা চোখে পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে স্তন পরীক্ষা করানোও গুরুত্বপূর্ণ।

Cancer Screening

জরায়ুমুখের ক্যানসার স্ক্রিনিং:

জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিনিং (Cancer Screening) পদ্ধতি রয়েছে। অন্বিতের মতে, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এমন একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা যায় যেখানে বিশেষ সলিউশনের সাহায্যে জরায়ুমুখে অস্বাভাবিক পরিবর্তন রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়। এই ধরনের স্ক্রিনিংয়ের (Cancer Screening) জন্য সবসময় ব্যয়বহুল পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না এবং সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে বিনামূল্যেও পরীক্ষা করার সুযোগ থাকতে পারে।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, ৩০ থেকে ৬৫ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় অন্তর এই ধরনের ক্যানসার স্ক্রিনিং (Cancer Screening) করানোর বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত। তবে বয়স, শারীরিক পরিস্থিতি, পূর্বের পরীক্ষার ফল এবং পারিবারিক ইতিহাস অনুযায়ী পরীক্ষার প্রয়োজন ও সময়ের ব্যবধান আলাদা হতে পারে। পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে আরও ঘন ঘন স্ক্রিনিংয়ের (Cancer Screening) প্রয়োজন হতে পারে।

আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ফের ঝড়বৃষ্টির ভ্রুকুটি!

তাই শরীরে কোনও উপসর্গ নেই বলেই ক্যানসারের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে না দিয়ে, বয়স ও ঝুঁকির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং (Cancer Screening) এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই হতে পারে নিরাপদ পথ।

Stay Connected
Must Read