HomeসফরWest Bengal Tourism: শুধু পুজো-শীত নয়, ৩৬৫ দিনই বাংলায় পর্যটনের মরশুম

West Bengal Tourism: শুধু পুজো-শীত নয়, ৩৬৫ দিনই বাংলায় পর্যটনের মরশুম

West Bengal Tourism: শুধু মরশুমের উপর নির্ভর করে নয়, বছরের ৩৬৫ দিনই পশ্চিমবঙ্গকে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য পর্যটন দফতর (West Bengal Tourism) । প্রতিটি জেলায় পর্যটনের সম্ভাবনাময় স্থান চিহ্নিত করে সেগুলিকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় সল্টলেকের অরুণাচল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে এই পরিকল্পনার কথা জানান রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ।

West Bengal Tourism

আরও পড়ুন: দুর্গ জয়ে কারা? বিগ বস বাংলার সম্ভাব্য তালিকা ফাঁস!

মন্ত্রী জানান, ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট, ওয়ান ডেস্টিনেশন’ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিটি জেলা থেকে অন্তত একটি করে সম্ভাবনাময় পর্যটনস্থল বেছে নেওয়া হবে। সেই জায়গাগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য। এই কাজে জেলা, মহকুমা এবং ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের নিয়ে একটি সমন্বয়কারী সেল বা কমিটি তৈরি করা হবে।

West Bengal Tourism

পর্যটকদের পরিষেবা আরও উন্নত করতে রাজ্যজুড়ে প্রায় ১ হাজারটি ‘ট্যুরিস্ট অ্যামেনিটি’ সেন্টার তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক এবং কারিগরি সহায়তা চাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রী।

West Bengal Tourism

পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া থেকে শুরু করে পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ জানানো এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান—সব কিছু এক জায়গায় আনতে প্রতিটি জেলায় ‘ট্যুরিজম হেল্পলাইন’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

West Bengal Tourism

শুধু বেড়াতে আসা পর্যটক নয়, বিয়ের অনুষ্ঠানকেও পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে রাজ্য। বাংলাকে ‘ওয়েডিং ডেস্টিনেশন’ হিসেবে তুলে ধরতে ইতিমধ্যেই প্রায় ৪৫০টি সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানান শংকর ঘোষ। বিয়ের অনুষ্ঠানে বাংলার খাবারের ঐতিহ্য যাতে বজায় থাকে, সে বিষয়েও হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, স্থানীয় মানুষদের যুক্ত করে বাঙালি খাবার তৈরি ও সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। এই কাজে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকেও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে পর্যটনের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করছে রাজ্য।

আরও পড়ুন: ফিরছে ‘দৃশ্যম ৪’,কবে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমা ?

পর্যটন দফতরের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শুধু দিঘা, দার্জিলিং, সুন্দরবন বা উত্তরবঙ্গের পরিচিত গন্তব্য নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের নতুন পর্যটনস্থলও সামনে আসবে। লক্ষ্য একটাই—মরশুমের কয়েকটি মাস নয়, সারা বছরই বাংলাকে পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্য করে তোলা।

Stay Connected
Must Read