বর্ষা এলেই বাঙালির মনে প্রথম যে নামটা আসে, তা হল ইলিশ (Ilish Paturi) বর্ষার দুপুরে ইলিশ পাতুরি! লাঞ্চ একেবারে জমজমাট!। ইলিশ মানেই বাঙালির আবেগ।
বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি, ঘরে গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত আর কলাপাতায় ইলিশ পাতুরি— আর তো কথাই নেই!বরাবরই বলা হয় মাছে ভাতে বাঙালি। আর বাঙালির রান্না মানেই স্বাদ, গন্ধ আর আবেগের মিশেল।
আরও পড়ুন – জানেন ২১ দিন শুকনো লঙ্কা না খেলে শরীরে কী কী ঘটে?

আরও পড়ুন – Satluj : ছবি ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে ছবি?
রইল সহজ অথচ দারুণ সুস্বাদু একটি রেসিপি
উপকরণ (৪ টুকরো ইলিশের জন্য):
- ইলিশ মাছ – ৪ টুকরো
- সাদা ও কালো সর্ষে বাটা – ৩ টেবিল চামচ
- নারকেল কোরানো – ২ টেবিল চামচ
- কাঁচালঙ্কা বাটা – ১ টেবিল চামচ
- কাঁচালঙ্কা – ৪-৫টি
- হলুদ গুঁড়ো – ½ চা চামচ
- নুন – ১ চা চামচ (স্বাদমতো)
- সরিষার তেল – ৪-৫ টেবিল চামচ
- কলাপাতা – ৪ টুকরো
- সুতো বা টুথপিক – প্রয়োজনমতো।
ম্যারিনেট করার পদ্ধতি:
একটি পাত্রে সর্ষে বাটা, নারকেল কোরানো, কাঁচালঙ্কা বাটা, হলুদ, নুন ও ৩ টেবিল চামচ সরিষার তেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই মশলায় ইলিশের টুকরোগুলো আলতো করে মাখিয়ে ৩০-৪৫ মিনিট ঢেকে রেখে দিন।

রান্নার পদ্ধতি:
কলাপাতা হালকা আঁচে সেঁকে নরম করে নিন। পাতার উপর অল্প সরিষার তেল মাখিয়ে একটু মশলা ছড়িয়ে দিন। তার উপর একটি ইলিশের টুকরো রেখে বাকি মশলা ও একটি কাঁচালঙ্কা দিয়ে দিন। কলাপাতা চারদিক থেকে ভাঁজ করে সুতো দিয়ে শক্ত করে বেঁধে নিন। স্টিমারে বা ঢাকনাওয়ালা কড়াইয়ে পাতুরিগুলো সাজিয়ে মাঝারি আঁচে ২০-২৫ মিনিট ভাপে রান্না করুন।

আরও পড়ুন – COCONUT : বর্ষায় নারকেল খাওয়ার আগে এই তথ্যগুলো জানা জরুরি!
স্টিমার না থাকলে নন-স্টিক প্যানে অল্প আঁচে ঢেকে রান্না করলেও একই রকম স্বাদ পাবেন। রান্না হয়ে গেলে ৫ মিনিট রেখে দিন। তারপর ধীরে ধীরে কলাপাতা খুলুন। পাতা খুলতেই যে গন্ধ বেরিয়ে আসে, তাতেই অর্ধেক খাওয়া হয়ে যায়!
গরম ভাতের সঙ্গে এক টুকরো পাতুরি, ব্যস… আর কোনও পদের প্রয়োজনই পড়ে না। এই রান্নায় নেই বাড়তি আয়োজন, আছে শুধু খাঁটি স্বাদ আর ঐতিহ্য। তাই বর্ষার মরসুমে একদিন বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন এই পাতুরি।



