ক্যান্সার, বিশ্বজুড়ে অন্যতম বড় স্বাস্থ্যচ্যালেঞ্জ। শতভাগ প্রতিরোধ সম্ভব না হলেও, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা , স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত জীবনযাপনে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়। শাকসবজি, ফলমূল ও গোটা শস্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। ক্যান্সার ধরা পড়লেও আধুনিক চিকিৎসা ও মানসিক দৃঢ়তায় অনেকেই সুস্থ জীবনে ফিরছেন। কিন্তু তার সঙ্গে চাই সঠিক খাদ্য সচেতনতা ।
রোজকার খাবারে থাকা কিছু উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । যেমন,
রসুনের শক্তিশালী ভূমিকা–
রসুনের ক্যান্সার-বিরোধী কার্যকলাপ নিয়ে সবচেয়ে বেশি গবেষণা হয়েছে।
রসুনে থাকা অ্যালিসিন, ডায়ালিল ট্রাইসালফাইডসহ বিভিন্ন উপাদান ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে।
টমেটোর লাইকোপিনের উপকার-
টমেটোতে থাকা লাইকোপিন প্রোস্টেট, ফুসফুস ও পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
বেরির গুণ –
ব্ল্যাকবেরির অ্যান্থোসায়ানিন প্রি-ম্যালিগন্যান্ট কোষের বৃদ্ধি বাধা দিতে পারে।
ত্বক, খাদ্যনালী, মুখ ও কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
আঙুর-বীজের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট –
আঙুরের বীজে থাকা উপাদান কিছু ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে।
মশলার মধ্যেও ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান-
হলুদের কারকিউমিন বিভিন্ন ক্যান্সার ও ক্ষতের বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
দারুচিনির নির্যাস টিউমারের বৃদ্ধি ও বিস্তার কমাতে সহায়ক হতে পারে।
সাইট্রাস ফলের উপকারিতা–
সাইট্রাস ফল পাচনতন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।
বাদামের ভূমিকা–
বাদাম খাওয়ার সঙ্গে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।


