বাংলা সিনেপাড়ায় এখন যেন একটাই নাম ঘুরছে- ‘দেশু’ (DeSu 7) । মান-অভিমানের পর বরফ গলে দেব-শুভশ্রীর সম্পর্কের নতুন সমীকরণ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। ছবি ঘোষণা থেকে শুরু করে শুটিংয়ের লোকেশন রেইকি, শুটিংয়ের মুহূর্তের ছবি প্রকাশ্যে আসা, দেবকে শুভশ্রীর খোলা চিঠি কিংবা ‘দেশু’ (DeSu 7)–র শেষ দিনের সেলিব্রেশন—প্রতিটি ঘটনাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। আর এই পুরো সফরই চুটিয়ে উপভোগ করছেন অনুরাগীরা।

আরও পড়ুন: শুধু পুজো-শীত নয়, ৩৬৫ দিনই বাংলায় পর্যটনের মরশুম
কিন্তু ‘দেশু ৭’ (DeSu 7)-এর এই পথচলা শুরু হয়েছিল কী ভাবে? সেই গল্পই এ বার প্রকাশ্যে আনলেন দেব। ২০২৫ সালে ‘ধূমকেতু’র সাফল্যের পর দেব ও শুভশ্রী তাঁদের জুটির সপ্তম ছবির ঘোষণা করেন। তারপর থেকেই নতুন মোড়কে পুরনো রসায়ন দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শক।
একসময় দেব-শুভশ্রীর অনস্ক্রিন জুটি ছিল টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় জুটি। পর্দায় তাঁদের উপস্থিতি মানেই দর্শকদের বাড়তি প্রত্যাশা। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনের পর দীর্ঘদিন আর একসঙ্গে দেখা যায়নি তাঁদের। সেই দূরত্ব পেরিয়ে ফের ‘দেশু ৭’ (DeSu 7)-এ একসঙ্গে কাজ করছেন দু’জনে।

শুটিংয়ের বিভিন্ন মুহূর্তেও সেই পুরনো রসায়নের ঝলক দেখা গিয়েছে। লাদাখের রাস্তায় ‘মালা রে’-র তালে তাঁদের নাচ থেকে শুরু করে র্যাপ-আপ পার্টিতে পরস্পরকে কেক খাওয়ানো—সবই অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।
সম্প্রতি ‘দেশু ৭’ (DeSu 7)-এর যাত্রা শুরুর নেপথ্যের গল্প বলতে গিয়ে দেব জানান, গত ৩১ ডিসেম্বর রাতেই ছবিটি নিয়ে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর কাছে শুভশ্রীর ফোন নম্বরও ছিল না। বাধ্য হয়ে নিজের আপ্তসহায়ক সায়ন্তনের কাছ থেকে শুভশ্রীর নম্বর চান অভিনেতা।

দেবের কথায়, এত রাতে শুভশ্রীর নম্বর চাওয়ায় সায়ন্তন কিছুটা অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। বার বার জানতে চেয়েছিলেন, এত রাতে নম্বর নিয়ে দেব কী করবেন। শেষ পর্যন্ত নম্বর পাওয়ার পর রাত দু’টো নাগাদই শুভশ্রীকে ফোন করেন দেব। সেই ফোনের পর থেকেই ধীরে ধীরে এগোতে শুরু করে ‘দেশু ৭’ (DeSu 7)-এর পথচলা।

আরও পড়ুন: দুর্গ জয়ে কারা? বিগ বস বাংলার সম্ভাব্য তালিকা ফাঁস!
ঘটনার কথা বলতে গিয়ে নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতাও করেছেন দেব। বছরশেষের সেই ফোনের পর সব কিছু ভালো হয়েছে উল্লেখ করে মজা করে বলেন, ‘‘সব শুভ আর শুভই হয়েছে।’’ তবে কথার ফাঁকে অবশ্য নিজেই সতর্ক করে দেন অভিনেতা। তাঁর রসিক মন্তব্য, তিনি কাউকে পরোক্ষ ভাবে কিছু বলতে চাইছেন না। এরপর নিজের বাংলা নিয়ে মজা করে দেব জানান, ‘দাদাগিরি’ করতে করতেই তাঁর বাংলা নাকি আরও শুদ্ধ হয়ে গিয়েছে।
