লেখা – সোহিনী সেন
ওয়েট লস করতে শুধু ওজন কমানোর (Weight Loss) ওষুধ (GLP-1) নিলেই হবে না, সঙ্গে চাই সঠিক ডায়েট। ভারতের শীর্ষ এন্ডোক্রাইন বিশেষজ্ঞদের নতুন পরামর্শ, ওষুধের সঙ্গে পুষ্টি পরিকল্পনা জরুরি।
আরও পড়ুন – Air Fryer : তেলহীন রান্নার জাদু নাকি স্বাস্থ্যের প্রচ্ছন্ন ঝুঁকি?
সেমাগ্লুটাইড (Semaglutide) ও টিরজেপাটাইড (Tirzepatide) ব্যবহারে ডায়েটকে (Weight Loss) চিকিৎসার অংশ করার সুপারিশ।কারণ এই ওষুধ খিদে কমিয়ে দেয়, ফলে কমে যায় খাবার খাওয়ার পরিমাণ। ঠিকমতো পুষ্টি না পেলে কমতে পারে পেশি (Muscle), তৈরি হতে পারে ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, শুধু চর্বি নয়, ওজন কমার (Weight Loss) সঙ্গে পেশিও যেন না কমে যায়।ভারতীয়দের ক্ষেত্রে কম প্রোটিন, বেশি কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার প্রবণতা বড় চ্যালেঞ্জ।অনেকের শরীরে ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের ঘাটতি রয়েছে। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ওষুধ শুরুর আগেই প্রয়োজন পুষ্টির মূল্যায়ন। ওজন কমানোর (Weight Loss) সময় প্রতিদিন পর্যাপ্ত প্রোটিন খাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।ডাল, মিলেট, সম্পূর্ণ শস্য, বাদাম ও স্বাস্থ্যকর তেল খাদ্য তালিকায় রাখার পরামর্শ।
কম খাবার খাওয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি বমি ভাবের মতো সমস্যাও হতে পারে (Weight Loss) । পর্যাপ্ত জল পান করাও এই চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ওষুধ বন্ধ করার পর আবার ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় দরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
আরও পড়ুন – এক ফোঁটা রক্তেই হবে ১০ ক্যানসারের ঝুঁকি শনাক্ত!
শুধু ওষুধ নয়, ব্যায়ামও রাখতে হবে চিকিৎসার তালিকায়। পেশি ধরে রাখতে সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যায়াম জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের বার্তা, GLP-1 ওষুধ কোনও ‘ম্যাজিক সমাধান’ নয়। সঠিক খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও চিকিৎসকের পরামর্শেই মিলবে নিরাপদ ও স্থায়ী ফল (Weight Loss)।




