ভরা মরশুমেও এত দিন দিঘায় ইলিশের Hilsa Price দেখা মিলছিল না সেভাবে। জালে অন্যান্য মাছ উঠলেও ইলিশ Hilsa Price নিয়ে কার্যত হতাশ ছিলেন মৎস্যজীবীরা। তবে সেই খরা কিছুটা কাটল রবিবার। এদিন সকালে দিঘার মৎস্যবন্দরে একসঙ্গে উঠল ৩০ টনেরও বেশি ইলিশ। ফলে মৎস্যজীবীদের মুখে যেমন হাসি ফুটেছে, তেমনই বাজারে ইলিশের Hilsa Price জোগান বাড়ায় আগামী দিনে দামও কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
দিঘা ফিসারমেন অ্যান্ড ফিস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাস জানান, মরশুমের শুরুতে ইলিশের Hilsa Price আমদানি প্রায় ছিল না বললেই চলে। পরে একবার ২৫-৩০ টন ইলিশ উঠেছিল। কিন্তু দুর্ঘটনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বেশ কিছুদিন সমুদ্রে যেতে পারেননি মৎস্যজীবীরা। ফলে ফের কমে যায় ইলিশের জোগান। রবিবার দিঘা মোহনায় ফেরা একাধিক ট্রলারে ৩০ টনেরও বেশি ইলিশ এসেছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন:জানুন নিজের সঙ্গে কথা বলার অভ্যাসের গোপন রহস্য

এদিনের ইলিশের Hilsa Price সাইজ ও ওজনও যথেষ্ট ভালো বলে জানা গিয়েছে। তবে পাইকারি বাজারে এখনও দাম খুব একটা কমেনি। স্থানীয় সূত্রে খবর, ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজির কাছাকাছি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১,৩০০ থেকে ১,৩৫০ টাকা কেজি দরে। ৬০০, ৭০০ ও ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১,২০০ থেকে ১,২৫০ টাকা। তুলনামূলক ছোট ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম অবশ্য ৯০০ টাকার নিচেও রয়েছে।
মৎস্যজীবীদের আশা, আগামী দিনে সমুদ্রে ইলিশের Hilsa Price জোগান আরও বাড়তে পারে। বর্ষায় গভীর সমুদ্র থেকে ইলিশ নদীর মোহনার মিষ্টি জলের দিকে ডিম পাড়তে আসে। পুবালি হাওয়া এবং হালকা বৃষ্টি ইলিশ Hilsa Price ধরার জন্য অনুকূল বলে মনে করেন মৎস্যজীবীরা। গত কয়েক দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টি রয়েছে। ফলে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে আগামী দিনে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়তে পারে বলে আশা করছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: শরীর ভালো, তবু মুড অফ কেন?
ইলিশের জোগান বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই বাজারে তার প্রভাব পড়বে। ফলে আগামী দিনে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত দিঘার মৎস্যবন্দরে ইলিশের এই জোয়ারেই নতুন করে আশার আলো দেখছেন মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীরা।



