লোধা আইন নিয়ে সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয়- প্রাক্তন সিএবি সভাপতি অভিষেক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র। সঞ্জয় দাস অভিযোগ করেছিলেন, কুলিং অফ শুরু হওয়ার পরও অভিষেক ১০-১১ মাস পদে ছিলেন। জবাবে অভিষেক বলেন, সঞ্জয় কুলিং অফ ও অযোগ্যতার নিয়ম গুলিয়ে ফেলছেন। কুলিং অফ ও মেয়াদের নিয়ম সিএবি কোষাধ্যক্ষ নিজের ইচ্ছেমতো বদলাতে পারেন না।

আরও পড়ুন – গম্ভীরের পরিবর্তে নতুন কোচ বেছে নিচ্ছে বিসিসিআই! নেপথ্যে কোন কারণ?
তাঁর দাবি, ২০২১ সাল নির্বাচনী বছর ছিল না, ২০২২ সালেই তাঁর প্রশাসনিক মেয়াদ শেষ হয়েছিল বলে জানান তিনি। কুলিং অফের কারণে ২০২২-২৫ মেয়াদে তিনি নির্বাচনে লড়তেও পারতেন না। আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য হওয়ায় নিয়ম মেনে সিএবি সভাপতির পদ ছাড়েন অভিষেক। তিনি বলেন, একই সঙ্গে সিএবি ও বিসিসিআইয়ের পদে থাকা যায় না। সঞ্জয়ের বক্তব্য গঠনতন্ত্র ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকার সঙ্গে মেলে না বলেও দাবি করেন তিনি। এমনকি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের উদাহরণও টানেন তিনি।


