মিক্স রিঅ্যাকশন থাকলেও প্রথম দিনেই দাপট দেখালো যশের ‘টক্সিক’ (Toxic) । গীতু মোহনদাস পরিচালিত ছবিটি প্রথম দিনেই বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা আয় করেছে। অর্থাৎ, সমালোচনার মধ্যেও দর্শকের সিনেমাটা আগ্রহ যে একেবারে কমেনি, প্রথম দিনের হিসাবেই তার বড় ইঙ্গিত মিলেছে।

ভারতের বাজারে ‘টক্সিক’ (Toxic)-এর প্রথম দিনের নেট আয় প্রায় ১০১ কোটি টাকা। এই হিসাব ছবিটিকে দেশের সবচেয়ে বড় ওপেনিং (Opening) দেওয়া ছবিগুলির তালিকায় একেবারে উপরের দিকে তুলে এনেছে। ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত প্রথম দিনে এর চেয়ে বেশি আয় করেছে শুধু ‘ধুরন্ধর ২’ (Dhurandhar 2)।
আরও পড়ুন – চোখের নিমেষে মৃত্যুপুরী! নেপালে হড়পা বানের নেপথ্যে কোন রহস্য?

তবে আসল চমক অন্য জায়গায়। বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৪০ কোটি টাকার উদ্বোধনী আয় নিয়ে ‘টক্সিক’ (Toxic) পিছনে ফেলেছে শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ (Jawan), রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’ (Animal), ‘পাঠান’ (Pathaan) এবং ‘আদিপুরুষ’ (Adipurush)-এর প্রথম দিনের বিশ্বব্যাপী আয়। ফলে ইয়াশের ছবিকে ঘিরে বক্স অফিসের হিসাব নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
অবশ্য নিজের পুরনো রেকর্ড এখনও ভাঙতে পারেননি যশ। ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার ২’ (KGF Chapter 2) প্রথম দিনেই প্রায় ১৬৪ কোটি টাকা বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল। সেই জায়গায় ‘টক্সিক’ (Toxic) কিছুটা পিছিয়ে। অর্থাৎ, নিজের তৈরি রেকর্ডকে ছাপাতে হলে ছবিটিকে আরও বড় দৌড় দিতে হবে।

এদিকে ‘টক্সিক’ (Toxic)-এর সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে সামনে আসছে যশকে ঘিরে দীর্ঘ অপেক্ষা। ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার ২’-এর পর প্রায় চার বছর পর বড় পর্দায় ফিরেছেন অভিনেতা। ফলে তাঁর নতুন ছবি নিয়ে দর্শকের আগ্রহ শুরু থেকেই ছিল তুঙ্গে। মুক্তির আগের অগ্রিম বুকিংয়ের (Advance Booking) হিসাবেও সেই উন্মাদনার ইঙ্গিত মিলেছিল।
ছবিতে (Toxic) যশের সঙ্গে রয়েছেন কিয়ারা আডবানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া এবং রুক্মিণী বসন্ত। পরিচালনায় গীতু মোহনদাস। মুক্তির পর ছবিটি নিয়ে সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া একেবারে একমুখী নয়, বরং ছবির গল্প ও নির্মাণ নিয়ে নানা মত উঠে এসেছে। কিন্তু বক্স অফিসের প্রথম দিনের হিসাব বলছে, সেই সমালোচনা অন্তত উদ্বোধনী ব্যবসায় বড় ধাক্কা দিতে পারেনি।

আরও পড়ুন – দূষিত বাতাসে ক্যানসারের যোগ?
এখন তাই নজর দ্বিতীয় দিনের দিকে। প্রথম দিনের এই ঝড় কতটা ধরে রাখতে পারে ‘টক্সিক’(Toxic) , সেটাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ ১৪০ কোটির শুরুটা নিঃসন্দেহে বড়, কিন্তু ছবির আসল পরীক্ষা হবে পরের কয়েক দিনের ব্যবসাতেই। আর সেখানেই বোঝা যাবে, প্রথম দিনের উন্মাদনা ছিল ক্ষণিকের, নাকি ‘টক্সিক’ সত্যিই লম্বা দৌড়ের ঘোড়া।
