বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের যন্ত্রণা এখনও পুরোপুরি কাটেনি Messi Retirement। তার মধ্যেই আরও বড় ব্যক্তিগত আঘাত লিয়োনেল মেসির Leo Messi জীবনে। ৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন তাঁর বাবা জর্জে মেসি Jorge Messi। বাবার মৃত্যুর পর আপাতত রোসারিয়োয় নিজের বাড়িতে রয়েছেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা। সেখান থেকেই সমাজমাধ্যমে বাবাকে স্মরণ করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন তিনি। সেই বার্তাতেই ফুটে উঠেছে ফুটবল থেকে দূরে সরে যাওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত।
বাবার সঙ্গে নিজের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে মেসি Leo Messi লেখেন, এখনও বাবার চলে যাওয়ার বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারছেন না তিনি Messi Retirement। তাঁর কথায়, বাবাকে আর কোনও দিন দেখতে পাবেন না—এই বাস্তবতা মেনে নেওয়া তাঁর কাছে অত্যন্ত কঠিন। জর্জে অসুস্থ ছিলেন, তা জানতেন মেসি Leo Messi। কিন্তু এত দ্রুত তাঁকে হারাতে হবে, তা ভাবতে পারেননি।

বিশ্বকাপের আগে বাবার সঙ্গে হওয়া কথোপকথনের কথাও স্মরণ করেছেন মেসি Leo Messi। অসুস্থতার কারণে জর্জে Jorge Messi ছেলের সঙ্গে প্রতিযোগিতার সময় আমেরিকায় যেতে পারেননি। তবে টেলিভিশনের পর্দায় নিয়মিত ছেলের ম্যাচ দেখতেন। প্রতিটি ম্যাচের পর মেসির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি।
মেসি Leo Messi জানান, ম্যাচ শেষ হলেই বাবার বার্তার অপেক্ষায় থাকতেন। পরিস্থিতি যে ভালো ছিল না, সেটাও জানতেন। কিন্তু ফাইনালের সময় বাবাকে পাশে না পাওয়ার কষ্ট ছিল আলাদা। বিশ্বকাপ শেষে বাড়ি ফিরে বাবার সঙ্গে কথা বলতে না পারার আক্ষেপও রয়েছে তাঁর।
শৈশব থেকেই মেসির ফুটবলজীবনের অন্যতম বড় স্তম্ভ ছিলেন জর্জে Jorge Messi। ছেলের প্রতিভা বুঝে তাঁকে স্পেনের লা মাসিয়ায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। মেসির Leo Messi ফুটবলজীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে পাশে ছিলেন বাবা। তাই তাঁকে হারানোর পর ফুটবল মাঠে ফেরার বিষয়টিও নতুন করে ভাবাচ্ছে আর্জেন্টাইন তারকাকে।
মেসির Leo Messi কথাতেই মিলেছে সেই ইঙ্গিত। বাবাকে উদ্দেশ করে তিনি প্রশ্ন করেছেন, তাঁকে ছাড়া কীভাবে খেলবেন। ফুটবলই এত দিন তাঁর জীবনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর জীবনের অনেক কিছু নিয়েই নতুন করে ভাবছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। আরও কত দিন ফুটবল খেলতে পারবেন, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন মেসি Leo Messi।
তবে অবসরের বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করেননি তিনি। আপাতত বাবাকে হারানোর শোক সামলানোই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়।
জর্জে মেসির কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা এবার নিজের সন্তানদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান লিয়োনেল। বাবাকে শুধু স্মৃতিতে নয়, নিজের সন্তানদের মধ্যেও বাঁচিয়ে রাখতে চান তিনি। আবেগঘন বার্তার শেষে মেসি বাবাকে তাঁর সবচেয়ে ভালো বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে শান্তিতে ঘুমানোর বার্তা দিয়েছেন।



