রেলস্টেশনে (Railway Station) প্রতিনিয়ত পানীয় জল, শৌচাগার বা বসার জায়গা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের। এবার দেশের ৫১২টি নন-সাবার্বান (Non-Suburban) রেলস্টেশনের পরিষেবা খতিয়ে দেখে সেই ছবিই সামনে আনল কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG)-এর রিপোর্ট। অডিটে দেখা গিয়েছে, ৪৫৮টি স্টেশন অর্থাৎ প্রায় ৯০ শতাংশেই ন্যূনতম প্রয়োজনীয় পরিষেবা ঠিকমতো নেই।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় পানীয় জল নিয়ে। ২০২২-২৩ সালে আটটি জোনের ৪৯টি এবং ২০২৩-২৪ সালে ন’টি জোনের ৫৬টি স্টেশনে পানীয় জলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বেশ কয়েকটি স্টেশনের (Railway Station) জল থেকে টোটাল কোলিফর্ম (Total coliform) ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গিয়েছে, যার মধ্যে ই-কোলাই (E. coli)-ও ছিল। কোয়েম্বাটোর, পালাক্কাড, হায়দরাবাদ, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস (CSMT), ভিওয়ান্ডি রোড, কল্যাণ, লোনাভালা এবং পূর্ব রেলের মধুপুর স্টেশনের নমুনায় এই সমস্যা ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন – পহেলগাঁও হাম.লার পর মোদীর প্রথম প্রশ্ন কী ছিল?
শুধু পানীয় জল নয়, যাত্রীদের অন্যান্য মৌলিক পরিষেবাতেও ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছে CAG। মুম্বই সেন্ট্রাল, CSMT, হাওড়া, শিয়ালদহ এবং নয়াদিল্লির মতো এনএসজি-১ (NSG-1) শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনেও (Railway Station) বসার ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা পরিষেবা, ডাস্টবিন এবং ইলেকট্রনিক নির্দেশক বোর্ডের মতো পরিষেবায় ঘাটতি মিলেছে।
অথচ ২০১৮ সালের এপ্রিলেই রেলওয়ে বোর্ড (Railway Board) সব স্টেশনে (Railway Station) ন্যূনতম প্রয়োজনীয় পরিষেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল পানীয় জল, অপেক্ষার হল, বসার জায়গা, প্ল্যাটফর্মের ছাউনি, ইউরিনাল, শৌচাগার, ফ্যান, ফুট ওভারব্রিজ (FOB), ডাস্টবিন, ঘড়ি এবং জনঘোষণা ব্যবস্থা। ২০১৮ সালের ৩১ অগস্টের মধ্যে এই পরিষেবা নিশ্চিত করার কথা ছিল।
আরও পড়ুন – ক্যালেন্ডারে লাল দাগ! আপনার কাছে ১৫ই আগস্ট মানে কী শুধুই ছুটির আমেজ ?
রিপোর্টে পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত পরিদর্শন এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে জলের গুণমান পরীক্ষা করার সুপারিশ করেছে CAG।



